Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts
শিশুদের কাছে স্মার্টফোন নিরাপদ রাখার কৌশল

প্রযুক্তির এই যুগে সবার হাতে হাতেই পৌঁছে গেছে স্মার্টফোন। এই সুযোগে শিশুরাও এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করে গেম খেলা বা ভিডিও দেখার কাজ করছে। তবে স্মার্টফোনে শিশুরা ভুলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ডিলিট করে দিতে পারে। আবার স্মার্টফোনের এমন অনেক অ্যাপই হয়তো থাকতে পারে, যেগুলো শিশুদের উপযোগী নয়। এসব ক্ষেত্রে তাই শিশুদের কাছ থেকে স্মার্টফোনকে নিরাপদ রাখা প্রয়োজন। এর জন্যই প্রয়োজনীয় কিছু করণীয় তুলে ধরা হলো এই লেখায়।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে
এই সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্মার্টফোন হিসেবে এককভাবে স্বীকৃত অ্যান্ড্রয়েড। ফলে স্মার্টফোন হিসেবে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় অ্যান্ড্রয়েডকেই। অ্যান্ড্রয়েডে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে বিভিন্ন অ্যাপ কেনার সুযোগ রয়েছে। আবার ইন-অ্যাপ পারচেজের সুযোগও রয়েছে। শিশুরা ভুলে এখানে গিয়ে না বুঝেই বিভিন্ন অ্যাপ কিনে ফেলতে পারে। আবার শিশুদের উপযোগী নয়, এমন অনেক অ্যাপও উন্মুক্ত থাকে প্লে স্টোরে। সেক্ষেত্রে গুগল প্লে স্টোর অ্যাপে গিয়ে মেন্যু ওপেন করতে হবে। সেখানে সেটিংয়ে গিয়ে কনটেন্ট ফিল্টারিংয়ে যেতে হবে। এখান থেকে আপনি ম্যাচুরিটি সেটিং নির্ধারণ করে দিতে পারবেন। হাই ম্যাচুরিটি কনটেন্ট নির্বাচন করে দিলে সাধারণত বিভিন্ন সহিংস অ্যাপও চলে আসবে। তাই এক্ষেত্রে লো ম্যাচুরিটি সেটিং নির্বাচন করে দিতে হবে। আবার গুগল প্লে সেটিং থেকেই বিভিন্ন কেনাকাটার জন্য পিনের প্রয়োজনীয়তা নির্বাচন করে দেওয়া যায়। সেক্ষেত্রে পিন বা পাসওয়ার্ড ছাড়া কেউই কিছু কিনতে পারবে না।
অ্যাপ লক
আপনার স্মার্টফোনে শিশু যাতে সব ধরনের অ্যাপে অ্যাকসেস না পায়, সেজন্য অ্যাপগুলোকে লক করেও রাখতে পারবেন। অ্যাপ লক নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করবে। এই অ্যাপ্লিকেশনটি আলাদা আলাদা করে প্রতিটি অ্যাপে প্রবেশের সুযোগকে বন্ধ রাখবে। ভয়েস কল, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, মোবাইল ডাটা প্রভৃতি ফিচার ব্যবহারেও প্রতিবন্ধকতা জারি রাখবে এই অ্যাপটি। এ ছাড়া গ্যালারির ফটো বা ভিডিওগুলোও লুকিয়ে রাখবে এই অ্যাপ।
আইওএস
অ্যান্ড্রয়েডের পরেই সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ডিভাইস হলো অ্যাপলের আইওএস ডিভাইসগুলো। আইফোন, আইপ্যাড, আইপড টাচ প্রভৃতি ডিভাইস আইওএস-এর আওতাভুক্ত। এসব ডিভাইসেও প্যারেন্টাল কন্ট্রোল যুক্ত করা যায়। এজন্য এসব ডিভাইসের সেটিংয়ে গিয়ে জেনারেল থেকে যেতে হবে রেস্ট্রিকশনে। এখান থেকেই রেস্ট্রিকশন সক্রিয় করে দেওয়ার অপশন রয়েছে, রয়েছে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল কনফিগার করার সুযোগ। এখান থেকেই ডিভাইসের বিল্ট-ইন অ্যাপ (ক্যামেরা, আইটিউনস, ইন-অ্যাপ পারচেজ, অ্যাপ ইন্সটল, অ্যাপ ডিলিট প্রভৃতি), কনটেন্ট (থার্ড-পার্টি অ্যাপ, ওয়েবসাইট অ্যাকসেস প্রভৃতি), ফাংশনগুলোকে (অ্যাকাউন্ট সেটিং, লোকেশন সার্ভিস প্রভৃতি) নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ফলে শিশু চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো কিছু করতে পারবে না।
উইন্ডোজ ফোন
উইন্ডোজ ফোনে শিশুদের জন্য আগে থেকেই কিড’স কর্নার তৈরি করে রাখার সুযোগ রয়েছে। এখানে শিশুদের জন্য আপনার অনুমোদিত অ্যাপ্লিকেশনগুলো রাখতে পারবেন আগে থেকেই। ফলে এখানে গিয়ে শিশুরা নির্ভাবনায় বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে। এটি সক্রিয় ও কনফিগার করতে উইন্ডোজ ফোনের হোমস্ক্রিনে অ্যাপের তালিকা থেকে যেতে হবে সেটিংয়ে। সেখানেই পাবেন কিড’স কর্নার। এখানে গিয়ে আপনি নির্বাচন করে দিতে পারবেন শিশুরা কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে। পাসওয়ার্ড দিয়ে এই অপশনগুলো সুরক্ষিতও রাখতে পারবেন।
এভাবেই আপনার স্মার্টফোনকে শিশুদের হাত থেকে নিরাপদ রাখতে পারবেন। সঠিকভাবে কনফিগার করতে পারলে আর শিশুদের উপযোগী নয় এমন কোনো কনটেন্টে শিশুরা প্রবেশ করতে পারবে না।
ওয়ালটনের নতুন স্মার্টফোন ‘প্রিমো ইএমটু’

দেশে তৈরি আরেকটি সাশ্রয়ী মূল্যের স্মার্টফোন বাজারে ছাড়লো প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। আকর্ষণীয় ডিজাইনের মেটাল বডির ফোনটির মডেল ‘প্রিমো ইএমটু’। ৪ হাজার ৫৯৯ টাকা মূল্যের হ্যান্ডসেটটি নীল এবং কালো দুটি ভিন্ন রঙে দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড এবং রিটেইল আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে।
ওয়ালটন সেল্যুলার ফোন বিক্রয় বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান জানান, ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত এই স্মার্টফোনটি তৈরি হয়েছে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের নিজস্ব কারখানায়।
ওয়ালটন সূত্রে জানা যায়, মেটালিক ডিজাইনের ‘প্রিমো ইএমটু’ মডেলের স্মার্টফোনটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ৪.৯৫ ইঞ্চির ফুল ভিউ ডিসপ্লের এফডব্লিউভিজিএ প্লাস পর্দা। নতুন এই ফোনের উচ্চগতি নিশ্চিতে আছে ১.৩ গিগাহার্জের কোয়াডকোর প্রসেসর। রয়েছে ১ গিগাবাইট ডিডিআরথ্রি র্যাম। প্রাণবন্ত ভিডিও ও গেমিং অভিজ্ঞতা দিতে গ্রাফিক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে মালি-টি৮২০। প্রয়োজনীয় ফাইল সংরক্ষণে রয়েছে ৮ গিগাবাইট স্টোরেজ। যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ৬৪ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।
এই স্মার্টফোনের উভয় প্রান্তে রয়েছে বিএসআই সেন্সরযুক্ত ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ক্যামেরার উল্লেখযোগ্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল জুম, ফেস বিউটি, এআই ডিটেক্ট, কালার ইফেক্ট, টাচিং ফটোগ্রাফি, অডিও পিকচার, কিউআর কোড স্ক্যানার, টাইম ল্যাপস ইত্যাদি।
অ্যানড্রয়েড ৮.১ ওরিও (গো এডিশন) অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত স্মার্টফোনটির প্রয়োজনীয় পাওয়ার ব্যাক-আপের জন্য রয়েছে ২৯৩০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার লি-পলিমার ব্যাটারি। থ্রিজি সাপোর্টেড ফোনটিতে একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে দুটি সিম। কানেক্টিভিটির জন্য আছে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ভার্সন ৪, ল্যান হটস্পট, ওটিএ ও মাইক্রো ইউএসবি২ সুবিধা। সেন্সর হিসেবে রয়েছে জিপিএস, এ-জিপিএস এক্সিলারোমিটার (থ্রিডি) ইত্যাদি। মাল্টিমিডিয়া ফিচার হিসেবে আছে ফুল এইচডি ভিডিও প্লে-ব্যাক ও রেকর্ডিং সুবিধাসহ এফএম রেডিও।
বাংলাদেশে তৈরি এই স্মার্টফোনে ক্রেতারা পাবেন বিশেষ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা। স্মার্টফোন কেনার ৩০ দিনের মধ্যে ত্রুটি দেখা দিলে ফোনটি পাল্টে ক্রেতাকে নতুন আরেকটি ফোন দেয়া হবে। এছাড়াও, ১০১ দিনের মধ্যে প্রায়োরিটি বেসিসে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্রেতা বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন। তাছাড়া, স্মার্টফোনে এক বছরের এবং ব্যাটারি ও চার্জারে ছয় মাসের বিক্রয়োত্তর সেবা তো থাকছেই।
উল্লেখ্য, দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা এবং ব্র্যান্ড ও রিটেইল আউটলেটে ০% ইন্টারেস্টে ৬ মাসের ইএমআই সুবিধায় কেনা যায় সব মডেলের ওয়ালটন স্মার্টফোন। একই সঙ্গে ১২ মাসের কিস্তি সুবিধায়ও কেনার সুযোগ থাকছে। সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার জন্য রয়েছে দেশব্যাপী বিস্তৃত সার্ভিস নেটওয়ার্ক।
এক মাসেও উদ্ধার হয়নি সাবেক এমপি মাহজাবিনের ফেসবুক আইডি-পেজ

সাবেক সংসদ সদস্য মাহজাবিন খালেদের ফেসবুক আইডি ও ভেরিফায়েড পেজ হ্যাকড হওয়ার এক মাস পরও উদ্ধার হয়নি। গত ২১ ফেব্রুয়ারি মাহজাবিনের ফেসবুক পেজ অন্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এ বিষয়ে থানায় জিডি করেছেন তিনি।
মাহজাবিন খালেদ জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিদেশে থাকা অবস্থায় তিনি ফেসবুকে ঢুকতে পারছিলেন না। ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরেও ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে না পেরে তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় জিডি করেন।
তিনি বলেন, 'হ্যাকাররা আমাকে বলে, আইডি ফেরত চাইলে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। বিট কয়েন অথবা একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ওই টাকা শোধ করতে হবে। ওই ব্যাংকে মো. রফিক মিয়া নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট নম্বরও তারা আমাকে দিয়েছে টাকা দেওয়ার জন্য।’
মুক্তিযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফের মেয়ে মাহজাবিন জানান, পুলিশকে জানানোর পর তারা বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন।
নিজের ফেসবুক আইডি ও ভেরিফায়েড পেজ উদ্ধারে আইনি সহায়তার জন্য পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অফিসেও গিয়েছিলেন মাহজাবিন।
তিনি বলেন, ‘সাইবার ক্রাইম ইউনিট থেকে আমাকে বলা হয়েছে, হ্যাক হওয়া আইডির সব তথ্য হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় এখন হ্যাকারকেই আইডির প্রকৃত মালিক মনে করছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফলে বিষয়টি সমাধানে বেশি সময় লাগছে। তবে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শিগগরিই উদ্ধার হবে বলে আশা দিয়েছেন।’
এ দিকে মাহজাবিনের হ্যাকড হওয়া ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফলে এক ধরনের উদ্বেগের মধ্যে আছেন বলেও জানান।
মাহজাবিন খালেদ বলেন, ‘হ্যাকার শুধু পেজ হ্যাক করেই বসে নেই। ওই পেজ থেকে সরকার ও আওয়ামী লীগ বিরোধী বিভিন্ন পোস্ট দিচ্ছে; যা আমার জন্য বিব্রতকর এবং অসম্মানজনক। হ্যাকার কখন কি পোস্ট দেয় এই দুশ্চিন্তায় রাতে ঘুমাতে পারি না। আমি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি।’
তিনি বলেন, ‘যদি এই আইডি-পেজ উদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তাহলে এগুলো একেবারে বন্ধ করা গেলেও মানসিক শান্তি পাই।’
উইন্ডোজ ৮ এর স্পীড বাড়ানোর জন্য ৮টি টিপস
আপনারা যারা উইন্ডোজ ৮ ব্যাবহার করছেন তারা দেখেছেন উইন্ডোজের অন্যান্য ভার্সনগুলো থেকে উইন্ডোজ ৮ এর বুট স্পীড অনেক দ্রুত করা হয়েছে এর Desktopটি অন্যান্য উইন্ডোজ ভার্সন থেকে আলাদা এবং এইটা দেখতে অনেক সুন্দর তবে এটা কিছু গ্রাফিক্যাল সুবিধা দেওয়ার কারণে কিছুটা স্লো মনে হতে পারে কিন্তু এর বিভিন্ন সেটিংস আছে যেটা দিয়ে আপনি খুব সহজে এর গতিকে আরও অনেক বেশি দ্রুততর করতে পারবেন আমি এখানে আপনাদের কিছু টিপস দিচ্ছি যেগুলো উইন্ডোজের গতি বাড়াতে সাহায্য করবে।
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
সংজ্ঞা বদলাবে, গতি বাড়বে তো ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের?

আবারও সংজ্ঞা বদলাচ্ছে ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি)ইন্টারনেটের। তবে এবার গতি বদলাবে তো- গত কয়েকদিন ধরে এমন প্রশ্ন ঘুরছে দেশের প্রযুক্তি অঙ্গনে। এমনিতেই ধীর গতির ইন্টারনেট নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের ভোগান্তির অন্ত নেই। তারপরও এমন ঘোষণায় প্রযুক্তিপ্রেমীদের ততটা খুশি হতে দেখা যাচ্ছে না। এর আগেও একবার সংজ্ঞা বদলেছিল কিন্তু প্রযুক্তিপ্রেমীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত গতি পায়নি। তাদের ভাষ্য, ব্রডব্যান্ডের সংজ্ঞায় পরিবর্তন না এনে বরং প্রকৃত অর্থে ‘গতি’ পেলেই তারা খুশি।
প্রসঙ্গত,ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ন্যূনতম গতি ১ মেগা থেকে বাড়িয়ে ৫ মেগা করতে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিগগিরই এ বিষয় চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে বলে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) সূত্রে জানা গেছে। গত বছর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিসিসি ভবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হবে। এর ন্যূনতম গতি হবে ৫ মেগাবাইট। সরকার এ বিষয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানা গেছে।
বিএসসিসিএল-এর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জানিয়ে দিয়েছে নির্দেশনা জারির সঙ্গে সঙ্গে তা কার্যকর করতে। কেউ ব্রডব্যান্ডের নামে এর চেয়ে কম গতি দিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ৩ মার্চ দেশে আসবেন। ৪ বা ৫ মার্চের দিকে সরকারের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত ওই বৈঠক থেকেই ঘোষণা আসতে পারে কবে থেকে কার্যকর হচ্ছে ৫ মেগার ব্রডব্যান্ড।
জানা যায়, আগামী ৩-৫ মার্চ ঢাকায় আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি বৃহৎ আয়োজন ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো-২০১৬’ অনুষ্ঠিত হবে। ওই মেগা আয়োজন থেকেও এই সুখবর দেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করেছে।
এদিকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহাজাহান মাহমুদ জানিয়েছেন,‘৫ মেগার নিচে ব্রডব্যান্ড নয়’ ঘোষণা আসতে ২-৩ সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।
বর্তমানে বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সর্বনিম্ন গতি ১ এমবিপিএস। ঘোষণা এলে তা হয়ে যাবে ৫ এমবিপিএস। তবে ৫ এমবিপিএসের কম গতির ইন্টারনেট সংযোগকে ‘ন্যারোব্যান্ড’ বা ধীরগতির ইন্টারনেট হিসেবে বিবেচনা করবে সরকার। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বলছে, গ্রাহক পর্যায়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করতেই ব্রডব্যান্ডের সর্বনিম্ন গতি বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৫ লাখ ৯৪ হাজার। ২০১৫ এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১২ লাখ ৮৩ হাজার।
এদিকে সরকার জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা করেছে ২০০৯ সালে। ৭ বছর হয়ে গেলেও সেই নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়নি। জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা-২০০৯ -এ ব্রডব্যান্ডের সংজ্ঞায় বলা হয়েছিল, ‘যাহার ন্যূনতম গতি হবে ১২৮ কেবিপিএস। এর চেয়ে গতি কম হইলে তাকে বলা হইবে ন্যারোব্যান্ড ইন্টারনেট।’ যদিও ২০১৩ সালে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির জারি করা এক নিদের্শনায় নতুন করে ব্রডব্যান্ডের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়। নতুন সংজ্ঞায় বলা হয়, 'যাহার ন্যূনতম ব্যান্ডউইথ ১ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড) হইবে। ১ এমবিপিএস হইতে কম ব্যান্ডউইথকে ন্যারোব্যান্ড বলা হইবে।' ব্যক্তি পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ২০১৩ সালের মে মাসের ১ তারিখ থেকে এই গতি উপভোগ করছেন। বিটিআরসি একই বছরের এপ্রিলের ১ তারিখে এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করে।
২০১৬ সালে আবারও ব্রডব্যান্ডের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার ন্যূনতম ব্যান্ডউইথ ১ মেগার পরিবর্তে ৫ মেগা করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
আঙ্গুলের ছাপে সিম নিবন্ধন নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য

গত বছর ১৬ ডিসেম্বর থেকে আঙ্গুলের ছাপে সিম নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু হয় । এরপর থেকেই এই পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি এক চিঠিতে অপারেটরদের আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ থেকে বিরত থাকতে বলে।
‘নিরাপত্তা শঙ্কা’র এমন বিতর্কের মধ্যেই বিবিসি বাংলার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এলো বেশ কিছু চমক দেয়া তথ্য।বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশে চলমান বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ করছে মোবাইল অপারেটররা।
যদিও এর আগে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, মোবাইল অপারেটররা শুধু আঙ্গুলের ছাপ যাচাই করছে; তারা আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ করছে না। তবে বিবিসির অনুসন্ধানে বলা হচ্ছে, টেকনিক্যাল কারণে প্রথম দিন থেকেই আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বাংলালিংকের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শিহাব আহমাদ স্বীকার করে বলেছেন, যে তথ্যগুলো আসে সব তথ্যই এখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে যতক্ষণ পর্যন্ত এটা ভেরিফাই করা না হচ্ছে।
২৫ ফেব্রুয়ারি বিবিসিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে সিম যাচাই করতে মোবাইল কোম্পানির কাছে আঙ্গুলের ছাপ দেয়াকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে এ পদ্ধতির নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এর বিরোধিতা করছেন অনেকে। গত ডিসেম্বর মাস থেকে আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে ১৩ কোটির বেশি সিম নিবন্ধন যাচাই শুরু হয়েছে। বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত দেড়কোটির বেশি মানুষ বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে সিম যাচাই করে নিয়েছেন। এপ্রিলের মধ্যেই এভাবে আরো ১১ কোটির বেশি সিম নিবন্ধন করতে হবে। সাধারণ ব্যবহারকারীরা সরকারি এ নির্দেশনার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাবই দেখাচ্ছেন।
সিম নিবন্ধন শেষে একজন কাস্টমার অনন্যা মুন্নী কেয়ার সেন্টার থেকে বেরিয়ে বলছিলেন, “ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে সিমটা নেয়া খুবই ভাল একটা জিনিস। যারা আগে জানতো না তারা নিতো না, এখন উদ্যোগটা নিয়েছে এটা ভাল কাজ”। মিজানুর রহমান নামে আরেকজন বলছিলেন “ক্রিমিনালকে ধরতে খুব সহজ হবে। আমি মনে করি এটা ভাল জিনিস। এটা অন্য দেশে নেই, অন্য দেশে ক্রিমিনালের ধরন আর আমাদের দেশের ক্রিমিনালের ধরন এক না”। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্বার্থে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে সিম নিবন্ধনের বিরোধিতা দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ ব্লগে এমনকি অনলাইন সংবাদপত্রে মতামত লিখে উদ্বেগ জানাচ্ছেন।
বহুজাতিক কোম্পানির কাছে আঙ্গুলের ছাপ দেয়ার ঘোর বিরোধী একজন আরিফুজ্জামান। তিনি বলেন, “আমাদের এখানে হাতের আঙ্গুলের ছাপ বাইরে চলে যেতে পারে এবং আমি আমার আঙ্গুলের ছাপ বাইরে দিবনা এরকম পরিমাণ বোধ বা অ্যাওয়ারনেস কিন্তু আমাদের অধিকাংশ মানুষের মধ্যে গড়ে ওঠে নাই। কিন্তু আমি কোনোভাবেই চাইব না যে আমার হাতের আঙ্গুলের ছাপ আমি একটি বেসরকারি কোম্পানির কোনো কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বা তার ডিভাইসে আঙ্গুলের ছাপ দিব। কারণ এই আঙ্গুলের ছাপ নানান ভাবেই ব্যবহার হতে পারে”।
খোঁজ নিয়ে দেখা যাচ্ছে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে মোবাইল সিম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছে প্রথমে পাকিস্তান। বাংলাদেশে এটি শুরু হয়েছে এবং সর্বশেষ সৌদি আরবেও এ নিয়ম চালুর খবর পাওয়া গেছে। ব্যক্তিগত গোপানীয়তা এবং স্পর্শকাতর এসব তথ্যের নিরাপত্তার কারণে উন্নত রাষ্ট্র এনং সেখানকার নাগরিক অধিকার কর্মীরা সোচ্চার থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে নাগরিক অধিকারের স্পর্শকাতর এসব দিক অনেকটা উপেক্ষিত আছে বলে মনে করেন আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক।
“সংবিধানে যেটা বলা আছে আমার এই ব্যক্তিগত সবকিছুর গোপনীয়তা আছে। তবে সরকার দেশের স্বার্থে আইন করে এর ব্যতিক্রম করতে পারে। তো এইখানে তো কোনো আইন নাই। আর আমরাও আমাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন না বলে আমরাও দিয়ে যাচ্ছি। তো আমি বলবো যে চিন্তা করেন পরে হকার বা বাসে উঠতে বা দুধ কিনতে গেলে যদি ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে হয়, তখন কিন্তু আমরা ব্যপারটা বুঝতে পারবো যে এটা কত উদ্ভট কাজ হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন থেকে নতুন সিম কেনা কিংবা সংযোগ বন্ধ করতেও আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে যাচাই করতে হবে। উদ্বেগ এবং বিতর্কের সূত্র ধরে জানতে চাই বায়োমেট্রিক তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া কিভাবে হচ্ছে।
দেশটির অন্যতম একটি বড় অপারেটর বাংলালিংকের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শিহাব আহমাদ বলেন, “যে তথ্যগুলো আসে সব তথ্যই এখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে যতক্ষণ পর্যন্ত এটা ভেরিফাই করা না হচ্ছে। ভেরিফাই হওয়ার পরে বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী এগুলো হয় সংরক্ষণ করা হবে অথবা আমরা এটা পরবর্তীতে অন্য কোনো পদ্ধতিতে ডিলিট করে দিব”।
গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা দিয়ে থাকেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংরক্ষণ না করে ভেরিফাই করা সম্ভব না। “গ্রাহকদের সম্পূর্ণ তথ্য পরিপূর্ণভাবে সংরক্ষণ করা হয় এবং ওইটা প্রটেকশন দেয়া হয়। এবং আমাদের সার্ভার থেকে এটা বাইরে যাবার কোনো সম্ভাবনা নাই।”
মানুষের আঙ্গুলের ছাপ, চোখের রেটিনা এবং ডিএনএ তথ্য একান্ত ব্যক্তিগত সম্পদ। প্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন বলেন, এ তথ্য রাষ্ট্র ছাড়া কারো কাছে থাকাই নিরাপদ নয়। “রাষ্ট্র শুধু এটা প্রটেক্ট করতে পারে বা স্টোর করতে পারে। ওই ডেটাবেজ থেকে যদি কেউ পেয়ে যায় তাহলে তো ডেফিনেটলি ক্রাইম। এনশিওর করতে হবে যে গর্ভমেন্ট ছাড়া আর কেউ কোনো পাবলিক ইনফরমেশন স্টোর করছে না কোনো অপারেটর বা যারা এরমধ্যে কাজ করছে, ইভেন মিডলে যারা আছে। কারণ এই ফিঙ্গার প্রিন্টের প্রসেসটা কিন্তু থার্ড পার্টিরা ইমপ্লিমেন্ট করে দিয়েছে”।
মিস্টার স্বপন বলেন, আঙ্গুলের ছাপ তৃতীয় পক্ষের কাছে চলে গেলে নানারকম অপব্যবহার হতে পারে। “রিস্কটা হলো অন্য একটা পার্সন আমাকে ইমপার্সনেট করতে পারে সে প্রিটেন্ড করতে পারে যে আমি জাকারিয়া স্বপন। আমার অনুমতি ছাড়াই করতে পারে। বেসিকালি আমার যত যায়গায় ডিজিটাল ইনফরমেশন আছে স্টোর করা আছে সব অ্যাকাউন্ট চাইলে সে নিয়ে নিতে পারে। এ রিস্ক কিন্তু শুধু আমার আপনার না সবার ক্ষেত্রে হতে পারে। ইভেন একজন কৃষকেরও হতে পারে। দেখা যাবে উনি লোন নিয়ে বসে আছেন উনি জানেনই না”।
এদিকে বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমদাদ উল বারী বলেন, রিটেইলার লেভেলে সংরক্ষণ করার কোনো সুযোগই রাখা হয়নি। “টেকনিক্যালি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংরক্ষণ করা সম্ভব না। কারণ এটা রিয়েল টাইম মিলিয়ে দেখা হয়। তবে অপারেটর লেভেলে এটা সম্ভব হতে পারে যদি আলাদা করে কেউ করে। বাট আমরা অপারেটরদেরকে নির্দেশ দিয়েছি যেন এটা তারা না করে”।
এদিকে আঙ্গুলের ছাপ বিতর্ক নিয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন মোবাইল কোম্পানির কাছে আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণের কোনো প্রযুক্তিও নেই। এদিকে মোবাইল অপারেটরদের পক্ষ থেকে জানা গেছে কোনো পর্যায়ে বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে না বিটিআরসি এই নির্দেশনা দিয়েছে ২৩ ফেব্রুয়ারি।
আপনার ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহারের খরচ কমাতে হট টিপস।

প্রতি মাসে কাড়ি কাড়ি টাকা খালি মোবাইলের ডাটার পেছনে খরচ হয়ে যাচ্ছে? ইন্টারনেট ডাটা রিচার্জ করছেন আর মুহূর্তেই সেটা শেষ হয়ে যাচ্ছে? এমন সমস্যা পোহাতে হয় অনেকেরই। অনেকে হয়তো রেগেমেগে সেলফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করাই ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। আসলে, আমাদের কিছু অসতর্কতার জন্য খরচ হয়ে যায় ইন্টারনেটের অতিরিক্ত ডাটা। এগুলোর দিকে একটু নজর রাখলেই খরচ কমে যাবে আপনার। যেগুলো হয় তো আপনার ডাটা ব্যবহারের খরচ কমাতে পারবে।
১. পুশ নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন: অনেকসময় আপনার ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের অ্যাপসের কারণে খরচ হচ্ছে আপনার ডাটা। এগুলোর যেকোনো ধরনের প্রচারণামূলক বা মেসেজিং সার্ভিসের কারণে আপনার ডাটা খরচ হতে থাকে অজান্তেই। সুতরাং, যেকোনো ধরনের অ্যাপসে নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন।
২. ডাটার ব্যবহার ট্র্যাকিং করুন: অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে আপনার ব্যবহৃত ডাটার পরিমাণ ট্র্যাক করার সুবিধা রয়েছে এখন। এতে কোন অ্যাপসরে কারণে আপনার কতটা ডাটা খরচ হচ্ছে, তা সহজেই হিসাবে রাখতে পারবেন এবং সেই অনুযায়ী ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন।
৩. হোয়াটসঅ্যাপে অটো-ডাউনলোড বন্ধ রাখুন: হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা অনেক সময়ই অন্য কিছু গ্রুপের থেকে ছবি, ভিডিও কিংবা অডিও রিসিভ করেন; যেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হয়ে যায়। একমাত্র ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় ছাড়া সবসময় এই অটো-ডাউনলোড অপশনটি বন্ধ রাখুন।
৪. ভিডিও দেখা বা গান শোনায় সতর্ক হোন: মোবাইলের ডাটা থেকে কোনো মিউজিক ভিডিও বা গান যদি স্ট্রিমিং করেন; সে ক্ষেত্রে ক্ষেত্রবিশেষে অনেক বেশি ডাটা খরচ হতে পারে। সুতরাং এ ক্ষেত্রে সতর্ক হোন, পারতপক্ষে ওয়াইফাই সংযোগ ছাড়া সেলফোনে ভিডিও বা অডিও স্ট্রিমিং না করাই লাভজনক।
৫. ডাটা কমপ্রেশন ব্যবহার করুন: আপনার যদি অনলাইনে অনেক আর্টিকেল পড়ার অভ্যাস থাকে, সে ক্ষেত্রে আপনার মোবাইলে ডাটা কমপ্রেশন চালু রাখা খুবই ভালো বুদ্ধি। এতে করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন ওয়েবপেইজে আপনার ডাটা খরচের পরিমাণ অনেকটাই কমে আসবে।
সোহেল রানা
আরো নতুন টিপস এবং ট্রিকস আমার ওয়েব পরিদর্শন করুন
Action Ball 2 পোর্টেবল গেমস
আশাকরি সবাই ভালো আমিও ভালো আজকে আমি আপনাদের অসাধারণ একটি গেম উপহার দেব Action Ball 2 একটি অসাধারণ পোর্টেবল গেমস যার মূল্য ৪ ডলার এখানে টোটালি ফ্রি পাবেন আমার কাছে এত অসাধারণ লেগেছে যে শেয়ার না করে পারলামনা জলদি ডাউনলোড করুন।

গেম ফিচারস
◇ More than 150 levels to conquer
◇ Four robots to fight
◇ Five bosses to defeat
◇ More than 30 bonus items to use
◇ Four paddles from which to choose
◇ Four ways to enhance your paddle
◇ Five gorgeous backgrounds
◇ Amazing battle effects
গেম রিভিউ
বায়োস সেটিং বা পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার উপায়
বায়োস পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় সাধারনত কিছু অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য। অনেকেই এটা ইউজ করেন বায়োস সেটিং রোধে বা বুটিং রোধে। কিন্তু মাঝে মাঝে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তাই বিরক্তির কারন হতে পারে যদি আপনি পাশওয়ার্ড ভুলে যান বা কেউ উদ্দেশ্য প্রনীতভাবে এটা পরিবর্তন করে ফেলে। কিন্তু ত্যাতে ভয় পাবার কোন কারন নেই। বায়োস পাশওয়ার্ড ভাঙ্গা
গড়া নিয়ে গত পোষ্টে আলোচনা করেছিলাম। আরো যে উপায়ে বায়সের পাশওয়ার্ড রেসেট/রিমোভ বা বাইপাশ করা যায় তা হলঃ
গড়া নিয়ে গত পোষ্টে আলোচনা করেছিলাম। আরো যে উপায়ে বায়সের পাশওয়ার্ড রেসেট/রিমোভ বা বাইপাশ করা যায় তা হলঃ* CMOS খুলে
* মাদারবোর্ড এর jumper ব্যবহার করে
* MS DOS কমান্ড ব্যবহার করে
* সফটওয়ার ব্যবহার করে
* ব্যকডোর BIOS পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে
* মাদারবোর্ড এর jumper ব্যবহার করে
* MS DOS কমান্ড ব্যবহার করে
* সফটওয়ার ব্যবহার করে
* ব্যকডোর BIOS পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে
বিঃদ্রঃ এই পোষ্টটটি অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য। এটা সাধারন ব্যবহারকারী/হ্যাকারদের জন্য প্রযোজ্য নহে। অনুগ্রহ করে এটা প্রয়োগ করবেননা যদি আপনি হার্ডওয়ার এর কাজের সাথে পরিচিত না হন। কোন ধরনের সমস্যা বা ক্ষয়ক্ষতির জন্য লেখক দায়ী নন। তাই এটা অনুসরন করুন নিজ দায়িত্বে।
নোটপ্যাড ব্যবহার করে 80% পার্সেন্ট গতি বাড়িয়ে নিন কম্পিউটারের

আজ আমি আপনাদের ছোট টিপস আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি যা দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটারের র্যাম কে ক্লিন করে কম্পিউটারের গতিকে ধরে রাখতে পারবেন। এই জন্য আপনাকে দুইটি কাজ করতে হবে।
প্রথমে আপনি নোটপ্যাডের কাজ টি করার আগে নিচের এই টিপসটি অনুসরন করুন।
→ My Computer ওপেন করে Tools এ যান এবং Folder options এ ক্লিক করুন। এবার যে উইন্ডো আসবে তাতে View তে ক্লিক দিয়ে “Hide extension for known file type” টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Ok করুন।
→ এবার নোটপ্যাডের কাজ কিভাবে করতে হবে দেখে নিন —
→ প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে নোটপ্যাড ওপেন করুন
→ তাতে লিখুন mystring=(80000000) এবং ডেস্কটপে সেভ করুন RAM. Vbe নামে।
→ এবার আপনি যখনই সময় পাবেন RAM. Vbe নামের ফোল্ডার টি তে ক্লিক করে র্যাম কে ক্লিন করে প্রায় ৮০% গতি বৃদ্ধি করে নিন।
না পারলে ভিডিও দেখুন
পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
| কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান । কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে । | সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ । |
উইন্ডোজ ৮ রিফ্রেশ বা রিইনস্টল করবেন যে ভাবে

উইন্ডোজের কোন সমস্যা হলে অনেক সময় উইন্ডোজ রিইনস্টল করার প্রয়োজন হয়। উইন্ডোজ ৮ এ রিফ্রেশ নামের একটি ফিচার আছে যার দ্বারা ডেক্সটপের ফইলসহ সেটিংসগুলো ঠিক রেখেই উইন্ডোজকে রিইনস্টল করা যায়। ফাইলসহ সেটিংসগুলো ঠিক থাকলেও ইনস্টল করা অনান্য সকল প্রোগ্রামগুলো থাকবে না, তবে কোন কোন প্রোগ্রাম ইনস্টল করা ছিলো তার একটা তালিকা Removed Apps নামে একটি এইচটিএমএল ফাইলে ডেক্সটপে থাকবে।

রিফ্রেশ বা রিইনস্টল করতে Windows Key+C চাপুন অথবা ডেক্সপটের নিচের/উপরের ডান মাউস রাখুন।
এখানে Settings এ ক্লিক করে নিচের Change PC Settings এর ক্লিক করুন।
PC Settings এর বাম পাশের General এ ক্লিক করে ডানের Refresh your PC without affecting your files এর Get started বাটনে ক্লিক করে Next বাটনে করুন।
তাহলে কম্পিউটারে উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল হবে এবং রিস্টার্ট হবে। পরবর্তিতে বেশ কিছু কনফিগার করতে হবে। যদি উইন্ডোজের কোন ফাইল নষ্ট বা মুছে যায় সেক্ষত্রে উইন্ডোজের ডিক্সটির প্রয়োজন হতে পারে।
উইন্ডোজর রিফ্রেশ হলে পুরাতন উইন্ডোজের কিছু থেকে যেতে পারে এর মধ্যে সি ড্রাইভের Windows.old অন্যতম।
পুরাতন ফাইল মুছে ফেলতে রানে গিয়ে cleanmgr.exe লিখে এন্টার করুন এবং ডিক্স ক্লিনআপে Ok করুন।
এখানে Clean up System Files বাটনে ক্লিক করে আবারও Ok করুন।
এরপরে File to Delete এ Previous Windows installation(s) নির্বাচন করে Ok করুন এবং Delete Files বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Windows.old ফোল্ডারসহ পুরাতন উইন্ডোজের অপ্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইলগুলো মুছে যাবে।

রিফ্রেশ বা রিইনস্টল করতে Windows Key+C চাপুন অথবা ডেক্সপটের নিচের/উপরের ডান মাউস রাখুন।
এখানে Settings এ ক্লিক করে নিচের Change PC Settings এর ক্লিক করুন।
PC Settings এর বাম পাশের General এ ক্লিক করে ডানের Refresh your PC without affecting your files এর Get started বাটনে ক্লিক করে Next বাটনে করুন।
তাহলে কম্পিউটারে উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল হবে এবং রিস্টার্ট হবে। পরবর্তিতে বেশ কিছু কনফিগার করতে হবে। যদি উইন্ডোজের কোন ফাইল নষ্ট বা মুছে যায় সেক্ষত্রে উইন্ডোজের ডিক্সটির প্রয়োজন হতে পারে।
উইন্ডোজর রিফ্রেশ হলে পুরাতন উইন্ডোজের কিছু থেকে যেতে পারে এর মধ্যে সি ড্রাইভের Windows.old অন্যতম।
পুরাতন ফাইল মুছে ফেলতে রানে গিয়ে cleanmgr.exe লিখে এন্টার করুন এবং ডিক্স ক্লিনআপে Ok করুন।
এখানে Clean up System Files বাটনে ক্লিক করে আবারও Ok করুন।
এরপরে File to Delete এ Previous Windows installation(s) নির্বাচন করে Ok করুন এবং Delete Files বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Windows.old ফোল্ডারসহ পুরাতন উইন্ডোজের অপ্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইলগুলো মুছে যাবে।
পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
| কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান । কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে । | সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ । |

